Summary Of Postmodern Writing Workshop
বাকশস্য প্রকৃত অর্থেই জীবনসম্পৃক্ত, তাই সে সৃজ্যমান ও সৃজনশীল। সে জীবনের দ্বারা সৃষ্ট ও জীবনের সৃজক। নিরবধি হয়ে-ওঠা ও বিস্তারলাভের অভীপ্সা- এই দুই-এর মধ্যে লালিত হচ্ছে। এই সময়ের কবিতা, তা সে যে-ভাষারই হোক না কেন, কেবলমাত্র জীবনের অতীতকে নিয়ে নাড়াচাড়া করে না, জীবনের বর্তমানকে ছুঁয়ে-ছেনে দেখে এবং স্পর্শ করতে চায় ভবিষ্যৎ জীবনের সম্ভাব্য হয়ে-ওঠাকেও। এই সতত হয়ে-ওঠা বাকশস্যের বহুস্বরিক ও বহুকৌণিক স্বরূপকে আঁচ করার জন্য প্রয়োজন বহুতলসমন্বিত পাঠভঙ্গিমা বা দেখন-ভঙ্গিমা। আমেরিকার পোস্টমডার্ন রাইটিং ওয়ার্কশপগুলিতে এই নিয়ে বিস্তর চর্চা চলছে। এই চর্চাকে পোস্টমডার্ন রাইটিং এক্সপেরিমেন্ট বা পোস্টমডার্ন রিডিং এক্সপেরিমেন্ট বলা যেতে পারে। রচয়িতা ও পাঠকের মধ্যস্থিত প্রাচীর এখানে উধাও। টেক্সট ও পাঠকৃতির মধ্যে তৈরি হয়েছে অবাধ চলাচল। এই সময়ের লেখালেখি অফুরন্ত অর্থময়তাকে মেলে ধরতে চাইছে। শব্দের খেলাময়তা বা ক্রীড়াহ্লাদের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে উত্তর-আধুনিক চিন্তাচেতনার খেতখামারে। মানুষ খেলুড়ে (Homoludens) বলে খেলার আহ্লাদকেই সে ফুটিয়ে তুলতে চায় তার বাকশস্যের শরীর ও আত্মায়। ভারতীয় প্রাচীন সাহিত্যের যত্রতত্র এই জীবনসম্পৃক্ত অভিজ্ঞতার রং ও গন্ধ ছড়িয়ে আছে। উত্তর-আধুনিক বাকশস্যে তাকেই স্পষ্টতর ও ব্যাপকতর করে তোলার প্রয়াস। আমেরিকাতেও এই প্রয়াসের নড়াচড়া চোখে পড়ছে।
Browse and Read other popular books at Spectrashop
To know more updates on books around the world click www.spectralhues.com



Reviews
There are no reviews yet.