Summary Of Tripura Kichhu Smriti Kichhu Katha
মানুষের মগজে তথ্যের ভাণ্ডারটি দুই পর্যায়ে নির্মাণ হয়। এক, কাগজে বা কম্পিউটার স্ক্রিনের মুদ্রার ওপর চোখ বুলিয়ে; দুই, জীবনের অভিজ্ঞতায় পদব্রজে বা পথ-চলার অভিজ্ঞতায়। ‘ত্রিপুরা (১৯৬৬-‘৬৮): কিছু স্মৃতি কিছু কথা’ পাণ্ডুলিপিটি হাতে পাওয়ামাত্র কিছুটা চমকিত হয়েছিলাম, এই খসড়াটির বিষয়বস্তুর সাথে পূর্বে কিঞ্চিত পরিচিত ছিলাম, কারণ সাপ্তাহিক বর্তমান ম্যাগাজিনে ‘৯০-এর দশকে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ পাচ্ছিল এই লেখাটি। যদিও সে-সময় প্রকাশিত সব পর্ব পড়ে ওঠা সম্ভব হয়ে ওঠেনি।
কুড়ি বছরেরও বেশি প্রায় হলুদ অস্পষ্ট হয়ে আসা ছাপা খসড়াটিকে সম্পূর্ণ পড়ে ফেলার সুযোগটা এক বিশেষ তাগিদ হিসেবে এসেছে এ-কথা অনস্বীকার্য। বিষয়: ত্রিপুরা পিডব্লুডি। জ্ঞানগর্ভ তথ্য নয়, বরং জীবনের অভিজ্ঞতায় ব্যঙ্গ অথবা হাস্যরসে সিঞ্চিত এক সাধারণ ডেপুটি ইঞ্জিনিয়ারের এক করুণ কাহিনির এক ঐতিহাসিক দলিল। আলেখ্য মূল বিষয়ের অন্তর্নিহিত সার সত্যটি হল ‘ঘুষ’ বা ‘দুর্নীতি’। কিন্তু বিশ্বায়নের মধ্য গগনে বা সবেমাত্র পড়ন্ত বিকেলে এই ‘ঘুষ’ বা ‘দুর্নীতি’ নামক শব্দটি জনমানুষের জগতে কী এমন মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাওয়ার মতো একটা ব্যাপার? মানুষের সম্পদ উৎপন্ন করার সময় থেকেই তো ‘দুর্নীতি’ নামক বিষময় ব্যাপারটা সমাজের মধ্যে গেড়ে বসেছে।
তবে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ প্রতিরোধের ইতিহাসও প্রাচীন। গত শতকে পৃথিবী জুড়ে নানা দুর্নীতি সাধারণ মানুষকে বিড়ম্বনায় ফেলেছে। তার মধ্যে ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির ঘটনা হল চমকপ্রদ। রোমহর্ষক দুর্নীতির দায় জাপানের প্রধানমন্ত্রীকেও পদত্যাগ করতে হয়েছে। এমনকি আমেরিকার প্রেসিডেন্টেরও নাক কাটা গেছে। ভারতবর্ষেও দুর্নীতির ইতিহাস বেশ প্রাচীন। তাহলে এদেশের সমকালীন সময়কে খামোকা গালমন্দ কেন; বরং বলা যায়, এই লেখা আসলে আজকের অসাধারণ দুর্নীতিবাজ শাসকদের মহান পূর্বসূরীদের এক ঐতিহাসিক বেত্তান্ত। না-হয় একটু কাব্যি করেই বলা যায় ‘নীতিহীনতার রূপকথা: ভারতের একখণ্ড ঝলমলে আকাশ’। লেখক শোভেন সান্যাল সাহসী, দূরদর্শীসম্পন্ন। আমিও অনুপ্রাণিত হয়েছি সাহস পেতে বর্তমান ম্যাগাজিনে পূর্ব প্রকাশিত সংখ্যাগুলিকে বই আকারে পুনঃপ্রকাশে।
Browse and Read another bestselling book Prekkhit Parbatya Chottogram
Turn your free time into a learning adventure. Play quiz now at https://etechlibrary.com/



Reviews
There are no reviews yet.