Summary Of Thikana Bharatbarsha
পসার জমবে কি জমবে না এই দ্বিধায় এবং শাশুড়ির উৎসাহে দিশা চাকরি নিল। জীবনের প্রথম চাকরিতে এখন একজন ডাক্তারকে অবশ্যই গ্রামে যেতে হয়। সেই গ্রামে বাসস্থান ও আহারের সামান্য সুযোগ-সুবিধে না থাকলেও তাকে যেতে হবে। চাকরি নেওয়ার পর দিশা এই জীবনকে মেনে নিয়েছে। অস্বীকার করতে পারেনি। অথচ যে-গ্রামীণ প্রাইমারি হেলথ সেন্টারে সে আছে সেখানে চিকিৎসার ন্যূনতম ব্যবস্থা শূন্য। নানা অসুবিধের মধ্যেও দিশা গ্রামের মানুষদের পাশে থাকতে চায়। শুধু মাঝে মাঝে তার সমস্ত আবেগ চোখের জল হয়ে ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে সূর্যের জন্য। সূর্য ওর স্বামী। সেও ডাক্তার। নিজের ব্যস্ত পসার ছেড়ে দিশার কাছে সূর্য মাসে অন্তত একবার আসতে চেষ্টা করে। একদিন রাত্রে দিশার হেলথ সেন্টারে এল একটি গুলিবিদ্ধ ছেলে। পরিচয়হীন এই ছেলেটির পা থেকে, ফোঁড়া কাটার ছুরি দিয়ে প্রায় আদিম পদ্ধতিতে দিশা বের করে আনল বুলেটের অহংকার। কিন্তু কী নাম ছেলেটির? রক্তাক্ত ছেলেটি নিয়ে এসেছিল আর একটি তরুণ। সে উত্তর দিল, ‘ওর নাম স্বাধীনতা সৈনিক, ঠিকানা ভারতবর্ষ।’ এই একটি রহস্যময় ঘটনার পরপরই দিশা যেন জড়িয়ে গেল এক দূরবিস্তারী জালে। উগ্রপন্থী, পুলিশ, স্কুলশিক্ষিকা সুচেতনা, যশোমতী আর অসুস্থ রোগগ্রস্ত অজস্র গ্রাম্য মানুষ—দিশার চারপাশে তৈরি করল এক-একটি ঘটনার বলয়। নিজের মধ্যে আর একটা দিশাকে আবিষ্কার করল সে। একই সঙ্গে আবিষ্কার করল ভারতবর্ষকে। কিন্তু কীভাবে? তারই টানটান উত্তর এই উপন্যাসে।
Browse and Read other popular books at Spectrashop
To know more updates on books around the world click www.spectralhues.com



Reviews
There are no reviews yet.